৭ এপ্রিল, ২০২৬
আন্তর্জাতিক › অর্থনীতি

চিত্র:জালানি তৈল| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট:
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মরগান ভবিষ্যৎ মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক সংকেত দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে সংকট দীর্ঘায়িত হলে দাম ১৫০ ডলারের সীমাও অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি, কারণ এই পথ দিয়েই বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে থাকে। ফলে এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন তৈরি হলে তা সরাসরি সরবরাহ সংকট এবং মূল্যবৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায়। জেপি মরগান আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়জুড়ে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করতে পারে। তবে কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে পরিস্থিতি আংশিক নিয়ন্ত্রণে এলে এবং মজুত বাড়লে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে বাজার কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার ঘোষণায় বাজারে অস্থিরতা আরও তীব্র হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে এবং জ্বালানি খাতে ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে তেলের উচ্চমূল্য বজায় থাকলে তা বৈশ্বিক চাহিদা কমিয়ে দিতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
মন্তব্য:০