শিরোনাম
বাংলাদেশের আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতায় আগ্রহী ফ্রান্স *** ড্রোনে ত্রাণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও পশু চিকিৎসা—বন্যাদুর্গত হবিগঞ্জে বিজিবির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ *** বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৯ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:দুই দিনব্যাপী (৭-৮ জুলাই) সম্মেলনে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

জাতিসংঘ পুলিশ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান বাংলাদেশের

ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘ইউএন পুলিশ জ্ঞান নেটওয়ার্ক’ গঠনের প্রস্তাব ভবিষ্যতের জটিল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং এবং জ্ঞান বিনিময় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে (UNCOPS 2026) এ আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দুই দিনব্যাপী (৭-৮ জুলাই) সম্মেলনে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রধান, নীতিনির্ধারক এবং জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধচক্রের বিস্তারের ফলে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে। এ বাস্তবতায় প্রচলিত পুলিশিং ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন। বাংলাদেশকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের ফর্মড পুলিশ ইউনিট (FPU)-কে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সোয়াত (SWAT), বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সাইবার অপরাধ ও সংগঠিত অপরাধ তদন্ত, ফরেনসিক, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং ইন্টেলিজেন্স-লেড পুলিশিংয়ের সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ‘জাতিসংঘ পুলিশ জ্ঞান ও উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক’ (UN Police Knowledge and Innovation Network) গঠনের প্রস্তাব দেয়। মন্ত্রীর মতে, এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সফল অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তি একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রস্তুতি বাড়াতে প্রতিবছর ‘অ্যানুয়াল এনভায়রনমেন্ট পুলিশিং কনফারেন্স’ আয়োজনেরও প্রস্তাব করেন তিনি। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী, অভিযোজনক্ষম এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি শক্তিশালী জাতিসংঘ পুলিশ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবনা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দেশের অবদানের বিষয়টি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের প্রশংসা অর্জন করেছে বলে জানানো হয়। সম্মেলনের তিনটি মূল আলোচ্য বিষয় ছিল—জাতিসংঘ পুলিশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা, পুলিশিংয়ে উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তঃদেশীয় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। এতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (DPO), অপারেশনাল সাপোর্ট (DOS) এবং রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণবিষয়ক (DPPA) বিভাগের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলসহ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়





মন্তব্য