৮ মে, ২০২৬
আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

চিত্র:সতর্ক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো| |ক্রেডিট : ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
জার্মানিতে সম্ভাব্য ইরান-সমর্থিত হামলার ঝুঁকি নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জার্মান ভূখণ্ডে নাশকতার আশঙ্কা কতটা গুরুতর, তা নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান ভিন্ন হয়ে উঠেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট সম্ভাব্য হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে এখনো ‘তাত্ত্বিক’ পর্যায়ের বলে বর্ণনা করছেন। তবে জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মনে করছেন, পরিস্থিতি অনেক বেশি উদ্বেগজনক। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব হুমকির গুরুত্ব কমিয়ে দেখালে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সতর্কতা সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে না। তাদের মতে, ইরান সরাসরি হামলার বদলে প্রক্সি গোষ্ঠী বা ভাড়াটে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ‘হাইব্রিড হামলা’ চালানোর কৌশল নিতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় গোয়েন্দারা ইতোমধ্যে জার্মানিতে ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানসহ ইরানি সরকারের সমালোচকদের লক্ষ্য করে অন্তত ৫০টি সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা শনাক্ত করেছেন। গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনায় ইরান-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা তদন্ত করছে জার্মান কর্তৃপক্ষ। ‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি সংগঠন এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে অনুষ্ঠিত ইরানবিরোধী এক বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের ওপর নজরদারি ও হামলার অভিযোগও উঠেছে। জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র ও নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে চ্যান্সেলরের কার্যালয় সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা তথ্য প্রকাশে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
মন্তব্য:০