শিরোনাম
শূন্যরেখায় আটকে মানবিক বিপর্যয়, সীমান্তে দুই দেশের টানাপোড়েন *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** বাংলাদেশ-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলা নিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানে ভারত, এক বছরে প্রতিবেদন দেবে প্যানেল *** যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন; আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুক্রবার ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৬ মে, ২০২৬

স্বদেশ › অপরাধ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আন্দোলন| |ক্রেডিট : ছবি: ইন্টারনেট

জাবিতে প্রক্টরিয়াল টিমকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। ঘটনার বিচার ও অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। শনিবার সকালে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রক্টর কার্যালয়ের দরজায় নতুন তালা ঝুলিয়ে দেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল রোববার থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবন অবরোধের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ফজিলাতুন্নেছা হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা তাবাসসুম। তিনি বলেন, ১২ মে সংঘটিত ঘটনার পরদিন শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের কাছে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেন। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রশাসন প্রথমে দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলেও পরে অবস্থান পরিবর্তন করে। এ ঘটনায় তাঁরা প্রশাসনের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেও তারা বরং নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতেই বেশি মনোযোগী ছিল। আন্দোলনকারীরা আরও অভিযোগ করেন, সারা রাত অবস্থান কর্মসূচির সময় কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহানুভূতিশীল কোনো আচরণ দেখা যায়নি। বরং প্রক্টরের কিছু মন্তব্য আন্দোলনকে ছোট করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন তাঁরা। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার এবং প্রক্টরিয়াল টিমের পদত্যাগসহ দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।





মন্তব্য