শিরোনাম
কঠিন পরীক্ষা উতরে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, এবার ইংল্যান্ডকে সামনে দেখছেন মেসি *** নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত নিহত *** জাহাজে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া ছাড় দেবে না যুক্তরাষ্ট্র *** তথাকথিত ‘দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়’ মানে না চীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় *** কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে চীন-উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২৬ জুন, ২০২৬

স্বদেশ › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসিতে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত

ইউএন পাবলিক সার্ভিস ফোরামে ডিজিটাল সেবায় বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা তুলে ধরলেন মন্ত্রী

জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস ফোরাম ২০২৬-এ অংশ নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) গড়ে তোলা এবং নাগরিকদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর সরকারি সেবা আরও সহজলভ্য করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসিতে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি কেবল প্রশাসনিক আধুনিকায়নের উপকরণ নয়, বরং এটি সুশাসন নিশ্চিত করার অন্যতম ভিত্তি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে শহরের নাগরিকদের মতো একই মানের সরকারি সেবা সহজে পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ডিজিটাল-ফার্স্ট গভর্নেন্স বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি সেবাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বর্তমানে নাগরিকরা একপে (EkPay), মাইগভ (myGov), জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ৩৩৩ হেল্পলাইন ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ করছেন। এসব প্ল্যাটফর্ম একই ছাতার নিচে সরকারি সেবা সহজে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফকির মাহবুব আনাম আরও জানান, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও উচ্চমানের ইন্টারনেট এবং স্মার্ট ডিভাইস নিশ্চিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ডিজিটাল সেবার সুযোগ থেকে কেউ বঞ্চিত না হন। নাগরিকদের মতামত ও অভিযোগকে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে ক্যাবিনেট ডিভিশনের গ্রিভেন্স রিড্রেস সিস্টেম (GRS) এবং ই-পার্টিসিপেশন প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন তিনি। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি সরকারের কাছে তাদের মতামত ও অভিযোগ জানাতে পারছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে ভবিষ্যতে ‘ই-পার্টিসিপেশন র‍্যাংকিং’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান উন্নয়ন এবং নাগরিক অংশগ্রহণকে আরও উৎসাহিত করবে। সূত্র: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।





মন্তব্য