শিরোনাম
সাত বছর পরও চার আসামি পলাতক, চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আবরার হত্যা মামলা *** দেশের ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি *** উপযোগী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও সংস্কৃতি *** ডিএসসিসির ১৬৮ পূজা মণ্ডপে ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান *** দূরবর্তী ও বাদপড়া শিশুদের খুঁজে টিকা দেবে সরকার ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:অধিবেশনে তিং সুই শিয়াং বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এর আগে দু’বার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সেসব ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে চীনের অবস্থান।| |ক্রেডিট : সিএমজি

ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব

ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন ৩ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তকে অনুষ্ঠিত হয়। চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী তিং সুই শিয়াং এতে অংশগ্রহণ করেন। অধিবেশনে তিং সুই শিয়াং বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এর আগে দু’বার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সেসব ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে চীনের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর ব্যাখ্যা আন্তর্জাতিক সমাজ ইতিবাচকভাবে গ্রহণও করেছে। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট পুতিন এ বছর একাধিক বার বৈঠক করেছেন, যা দু’দেশের নতুন যুগের সার্বিক কৌশলগত সমন্বিত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক ও দু’পক্ষের সার্বিক সহযোগিতা আরও উন্নয়নে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। চীন রাশিয়ার সাথে একযোগে দু’দেশের নেতৃবৃন্দের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে ইচ্ছুক। অধিবেশনে তিনি ৪-দফা সুপারিশ পেশ করেন: ১. জয়-জয় ও সহনশীল উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া; উত্তর-পূর্ব চীন ও রাশিয়ার দূর প্রাচ্যের উন্নয়ন-কৌশলগুলোকে আরও সংযুক্ত করা; জনগণের চাহিদা পূরণ করা; বৈশিষ্ট্যময় শিল্প সুষ্ঠুভাবে উন্নয়ন করা; মানুষকে উন্নয়নের সুফল আরও ভোগ করতে দেওয়া; ২. ব্যবসায়ীদের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করা; শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক শর্ত সৃষ্টি করা; ৩. বন্ধুত্বপূর্ণ আদানপ্রদান জোরদার করা; সংস্কৃতি, পর্যটন, শিক্ষাসহ একাধিক খাতের বিনিময় ও সহযোগিতা উন্নত করা; ৪. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা; জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা যৌথভাবে রক্ষা করা। সূত্র: আকাশ, আলিম, রুবি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ





মন্তব্য