২১ জুলাই, ২০২৫
স্বদেশ › রাজনীতি

চিত্র:মেলোনি| |ক্রেডিট : internet
ইতালিতে অবৈধ অভিবাসন বন্ধের পাশাপাশি বৈধ অভিবাসন বাড়াতে এরই মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ। অভিবাসনের পাশাপাশি ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতার মাধ্যমে ইতালির সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। আগামী ৩১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির আগামী ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ৩১ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক, একান্ত আলোচনা আর মধ্যাহ্নভোজ সেরে ওই দিনই তিনি ঢাকা ছেড়ে যেতে পারেন। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ইতালির প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত সফর নিয়ে রোববার সকালে এক আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। মেলোনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে "ইসলামিক সংস্কৃতির ইউরোপে কোনো স্থান নেই" এবং এটি ইউরোপীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি বলেছেন যে ইসলামিক সংস্কৃতি এবং ইউরোপীয় সভ্যতার অধিকার ও মূল্যবোধের মধ্যে "সামঞ্জস্যের সমস্যা" রয়েছে। তিনি সৌদি আরবের কঠোর শরিয়া আইনের সমালোচনা করেছেন, যেখানে ধর্মত্যাগ এবং সমকামিতা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তিনি বলেছেন যে শরিয়া আইনে ব্যভিচারের জন্য পাথর ছুঁড়ে হত্যা এবং ধর্মত্যাগ ও সমকামিতার জন্য মৃত্যুদণ্ড রয়েছে, এবং এই বিষয়গুলো উত্থাপন করা উচিত। মেলোনি "ইসলামী মৌলবাদ" নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন যে এটি ইউরোপ জুড়ে সহিংসতা ও সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। তিনি মসজিদ ও মাদ্রাসার উপর নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছেন। এর আগে ইসলামবিদ্বেষী বলে নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছিলো। যদিও হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশের আলেম ওলামারা এই বিষয়ে কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানান, এটা হবে নতুন অভিজ্ঞতা । এই

image : meloni | credit : internet
মন্তব্য:০