শিরোনাম
শিক্ষার ভিশন হবে দক্ষতা বৃদ্ধি ও ক্যারিয়ার গঠন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ *** স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরী করা হবে-সমাজকল্যাণ মন্ত্রী *** পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ *** এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহাড়ের সামাজিক উৎসব: দীপেন দেওয়ান ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


৩০ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › যুদ্ধ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট:

ইরানের তেল সম্পদ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন উত্তেজনা

ইরানের তেল খাত এবং কৌশলগত স্থাপনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য নতুন করে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের জ্বালানি সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে খারগ দ্বীপের প্রসঙ্গ। ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপকে ঘিরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে বিভিন্ন কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে পারে। তার এই মন্তব্যকে অনেকেই শক্তি প্রদর্শনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, খারগ দ্বীপে প্রভাব বিস্তার করা মানে ইরানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান উৎসে হস্তক্ষেপ করা। ফলে এমন বক্তব্য শুধু কূটনৈতিক টানাপোড়েনই বাড়াবে না, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ওই অঞ্চলে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সীমিত। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া তিনি ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাতের প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী নীতির সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য পরিস্থিতির তুলনা করেন। এতে জ্বালানি সম্পদকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক শক্তির প্রতিযোগিতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন বক্তব্য ভবিষ্যতে কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সূত্র: আল জাজিরা।





মন্তব্য