শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১১ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে পাকিস্তানের কূটনৈতিক চেষ্টা| |ক্রেডিট : ছবি: ইন্টারনেট

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে পাকিস্তানের কূটনৈতিক সেতুবন্ধন

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিয়া জনগোষ্ঠীর বসবাস এবং ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক যোগাযোগ এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হয়েছে। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি তীর্থযাত্রী ইরানে সফর করেন, যা দুই দেশের জনগণের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সম্পর্ক তৈরি করেছে। পাশাপাশি আফগান শরণার্থী সংকট ও সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ইসলামাবাদ ও তেহরানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতাও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান পাকিস্তানকে একটি গ্রহণযোগ্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনতে সক্ষম হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইসলামাবাদের এই উদ্যোগ সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখনো জটিল। মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক অস্থিরতা, বিশেষ করে লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা, এই শান্তি প্রচেষ্টার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে তার মিত্র ইসরায়েলের ওপর প্রভাব খাটিয়ে সংযত অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারীরা এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষকে আলোচনার পথে আনতে সক্ষম হয়েছেন, তবে চূড়ান্ত সমাধান নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গন তাকিয়ে আছে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য আলোচনার দিকে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপের ফলাফল শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বরং বৈশ্বিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।





মন্তব্য