শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৩ আগস্ট, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:মার্কিন সেনা| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ইতি, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছে ইরাকি সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আইএসবিরোধী আন্তর্জাতিক জোটের সামরিক মিশনের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই বিদেশি বাহিনীর উপস্থিতিরও অবসান ঘটবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাক সরকার আগামী ১ অক্টোবরকে একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে দেখছে। কারণ ওই দিন থেকে দেশটিতে কোনো বিদেশি সেনা মোতায়েন থাকবে না বলে আশা করা হচ্ছে। ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে। ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাকে সামরিক অভিযান শুরু হয়। অভিযানের কয়েক মাসের মধ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। পরবর্তীতে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর উত্থান ঘটায় দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘায়িত হয়। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, আইএসকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক এবং আন্তর্জাতিক জোট উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় এবং অবশিষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো মোকাবিলায় ইরাকি বাহিনী প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করেছে। তবে ইরাকে বর্তমানে অবস্থানরত মার্কিন সেনার সংখ্যা সম্পর্কে তিনি কোনো তথ্য দেননি। গত বছর ইরাকের অধিকাংশ সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হলেও স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে সীমিতসংখ্যক সেনা মোতায়েন ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে এসব ঘাঁটির কয়েকটি বিভিন্ন সশস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইরাকি সরকারের এই ঘোষণার মাধ্যমে প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পথ আরও সুস্পষ্ট হলো। সূত্র: আল জাজিরা, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।





মন্তব্য