শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২৫ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক ও পরিচালকের পক্ষে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

ঈদে মিলাদুন্নবীতে দেশজুড়ে র‍্যাবের বাড়তি নিরাপত্তা, জোরদার গোয়েন্দা নজরদারি

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার পাশাপাশি নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সাদা পোশাকে র‍্যাব সদস্যদের নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক ও পরিচালকের পক্ষে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি, অর্থাৎ ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে ইবাদত-বন্দেগি, সালাত, জিকিরসহ নানা ধরনের নফল ইবাদতের আয়োজন থাকবে। এসব ধর্মীয় কার্যক্রম যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র‍্যাব। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে পর্যাপ্তসংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের স্থান ও আশপাশের এলাকার সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজস্ব নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করেছে। র‍্যাব জানিয়েছে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হবে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আগেভাগেই স্কেলিটন ফোর্স মোতায়েনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনো ধরনের ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে চায় বাহিনীটি। স্থানীয় পর্যায়েও নিরাপত্তাব্যবস্থাকে কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার মসজিদের ইমাম, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির সদস্যদের র‍্যাবের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো স্বার্থান্বেষী মহল, সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে ঈদে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে হামলা, নাশকতা কিংবা অন্য কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন দেখা দিলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে—এমন তথ্য, গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর বা উসকানিমূলক পোস্ট, মন্তব্য ও ছবি শনাক্ত করতে সাইবার পেট্রোলিং বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে। র‍্যাব ফোর্সেস দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোথাও কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যক্রম চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। র‍্যাবের আশা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও আন্তরিক সহযোগিতা থাকলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর সব আয়োজন সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সূত্র: র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও প্রদত্ত সংবাদ প্রতিবেদন।





মন্তব্য