শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৫ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ই জিন ক্যারলকে ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

ই জিন ক্যারলকে ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প

যৌন নিপীড়ন ও মানহানি সংক্রান্ত মামলায় আদালতের রায় অনুযায়ী লেখিকা ই জিন ক্যারল ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। জুরির নির্ধারিত ৫০ লাখ ডলারের মূল ক্ষতিপূরণের সঙ্গে সুদ যোগ করে সোমবার (১৩ জুলাই) একটি বিশেষ এসক্রো অ্যাকাউন্ট থেকে তার কাছে অর্থ হস্তান্তর করা হয়। ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা কাপলান এক বিবৃতিতে বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের মক্কেল সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণের অর্থ গ্রহণ করেছেন। অর্থ পাওয়ার পর ৮২ বছর বয়সী ক্যারল নিজের প্রতিক্রিয়ায় রসিকতার ছলে লেখেন, “The Eagle Has Landed”, যা দিয়ে তিনি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের সফল সমাপ্তির ইঙ্গিত দেন। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে জুরির রায়ের পর থেকেই অর্থটি এসক্রো অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত ছিল। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট রায় বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দিলে ফেডারেল বিচারক লুইস এ. কাপলান অর্থ ছাড়ের নির্দেশ দেন। ট্রাম্পের আইনজীবীরা অর্থ ছাড় স্থগিতের আবেদন করলেও আদালত সেটি নাকচ করে দেয়। তবে তারা জানিয়েছে, রায় বাতিলের দাবিতে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। ক্যারলের আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়েছেন, তিনি এই অর্থ ভবিষ্যতের জন্য অবসরকালীন সঞ্চয় তহবিলে রাখার পরিকল্পনা করেছেন। মামলার পটভূমিতে বলা হয়, ১৯৯৬ সালে নিউইয়র্কের একটি বিলাসবহুল ডিপার্টমেন্ট স্টোরের পোশাক পরিবর্তনের কক্ষে ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেন বলে অভিযোগ করেন ক্যারল। ২০১৯ সালে নিজের স্মৃতিকথায় বিষয়টি প্রকাশ করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যারলকে মিথ্যাবাদী বলে মন্তব্য করেন। এরপরই তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। নিউইয়র্কের আইনে পরিবর্তনের ফলে বহু বছর আগের যৌন নিপীড়নের অভিযোগেও মামলা করার সুযোগ সৃষ্টি হলে ক্যারল সেই আইনি সুবিধা গ্রহণ করেন। বিচার প্রক্রিয়ার সময় ট্রাম্প আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ ছাড়া ২০২৪ সালে পৃথক একটি মানহানি মামলায় ক্যারলের পক্ষে ৮৩ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধেও ট্রাম্পের আইনি দল বর্তমানে আপিল প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: এপি।





মন্তব্য