শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৮ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

গুমের অভিযোগের মামলায় ডিজিএফআইয়ের জেআইসি পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন গুম ও নির্যাতনের অভিযোগসংক্রান্ত মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআইয়ের সদর দপ্তরে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) পরিদর্শন করেছেন ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারপতি। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সোয়া ১১টার দিকে বিচারপতিরা জেআইসিতে পৌঁছে পরিদর্শন শুরু করেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজার নেতৃত্বে বিচারপতিদের এ দলে চিফ প্রসিকিউটর এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও ছিলেন। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলাগুলোর অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর প্রকৃত পরিস্থিতি আদালতের পক্ষ থেকে সরেজমিনে দেখার প্রয়োজন থেকেই এ ধরনের পরিদর্শন করা হচ্ছে। এর আগে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব পরিচালিত কথিত ‘বন্দিশালা’ বা ‘গুমঘর’ও পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, র‍্যাব ও ডিজিএফআইয়ের পরিচালিত কথিত বন্দিশালায় ব্যক্তিদের গুম করে আটকে রাখার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুটি মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে জেআইসিতে ২৬ জনকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগের মামলাটি বিশেষভাবে আলোচিত। ওই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তারেক সিদ্দিকীসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের তালিকায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালক ছাড়াও বর্তমান ও সাবেক ১০ জন সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন মেজর জেনারেল এবং দুই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন বলে প্রসিকিউশনের তথ্য। মামলার অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে কয়েকজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ‘গুমের শিকার’ সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহিল আমান আল আযমী, হাসিনুর রহমান ও মারুফ জামান। তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের বক্তব্য ও অভিজ্ঞতার বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রসিকিউশনের মতে, মামলায় যেসব স্থানে গুম করে আটকে রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে, সেসব স্থানের ভৌত অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা একের পর এক সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করছেন। উত্তরার কথিত বন্দিশালা পরিদর্শনের পর এবার ঢাকা সেনানিবাসের জেআইসি পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে বিচারাধীন মামলাগুলোর অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো আদালতের সরাসরি পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রসিকিউশন বলছে, এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি বিচারিকভাবে পর্যালোচনা করা হবে। সূত্র: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।





মন্তব্য