শিরোনাম
শূন্যরেখায় আটকে মানবিক বিপর্যয়, সীমান্তে দুই দেশের টানাপোড়েন *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** বাংলাদেশ-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলা নিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানে ভারত, এক বছরে প্রতিবেদন দেবে প্যানেল *** যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন; আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুক্রবার ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১১ এপ্রিল, ২০২৬

স্বদেশ › রাজনীতি

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জাতীয় সংসদ| |ক্রেডিট : ছবি: ইন্টারনেট

গণঅভ্যুত্থান, ব্যাংকিংসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে আইন প্রণয়ন, ৯১-এ পৌঁছাল মোট বিল

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় জাতীয় সংসদে একদিনে ২৪টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যূত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’, ‘জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’ এবং ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’ উল্লেখযোগ্য। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানিয়েছেন, চলতি অধিবেশনে এ পর্যন্ত মোট ৯১টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে আজকের সকালের অধিবেশনেই ১০টি বিল অনুমোদন পায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় সেগুলো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিল উত্থাপন করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিত এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪টি বাতিল এবং ১৬টি নতুনভাবে আরও শক্তিশালী করে বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, আর্থিক খাত সংস্কার, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থ, গৃহায়ন, শিক্ষা, পরিবেশ, সংস্কৃতি ও টেলিযোগাযোগসহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত বিল অনুমোদন পায়। তবে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’ নিয়ে সংসদে ভিন্নমত দেখা যায়। বিরোধী দলের এক সদস্য বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তাব করলেও কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয় এবং বিলটি পাস হয়। অন্যদিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’-এ প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী গ্রহণের পর বিলটি চূড়ান্তভাবে পাস করা হয়। দিনের শেষভাগে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাসের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শেষ হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত আইন প্রণয়নের এই ধারাবাহিকতা প্রশাসনিক কাঠামোকে স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে।





মন্তব্য