শিরোনাম
অনিশ্চয়তার মধ্যেও উন্মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতির পক্ষে চীন *** বহুপক্ষবাদ রক্ষায় চীনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে আগ্রহ কানাডার *** আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় সংযমের আহ্বান বেইজিংয়ের *** একতরফা দাদাগিরির বিরোধিতায় চীন ও আফ্রিকার ঐক্য *** চীনা নেতৃত্বের দারিদ্র্যে ফিরে যাওয়া রোধে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত ***




↠ডেস্ক রিপোর্ট


২৫ মার্চ, ২০২২

স্বদেশ › জাতীয়

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জাতীয় স্মৃতিসৌধ| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

গৌরবদীপ্ত স্বাধীনতার দিন আজ

আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। আজ বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরুর পর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার আহ্বান জানান। তিনি বলেছিলেন, ‘এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা। আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন..।’ বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে বীর বাঙালি মাতৃভূমিকে পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে মুক্ত করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিকামী মানুষ। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ। প্রথমে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নান বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা পাঠ করেন। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় স্বাধীনতার ঘোষণাটি পাঠ করেন অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার নিভৃত আমবাগানে শপথ নেয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, তার অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত এই সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক কাঠামো লাভ করে। একটি সুশৃঙ্খল অত্যাধুনিক সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালিদের রুখে দাঁড়ানোর নজির পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী প্রাণপণ যুদ্ধের সফল পরিণতিতে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় ঘটে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলার আকাশে উড়েছে বিজয়ের লাল-সবুজ পতাকা। মরণপণ লড়াই এবং একসাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় বিজয়। স্বাধীনতা তাই সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।





মন্তব্য