শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৮ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › যুদ্ধ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জাতিসংঘ| |ক্রেডিট : ছবি: ইন্টারনেট

গাজায় প্রতিদিন গড়ে ৪৭ নারী-শিশুর মৃত্যু: ইউএন উইমেন

গাজায় চলমান সংঘাতে নারী ও মেয়ে শিশুদের ওপর ভয়াবহ প্রভাবের চিত্র তুলে ধরেছে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন। সংস্থাটির প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত চলাকালে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৪৭ জন নারী ও মেয়ে শিশু নিহত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ দুই বছর যুদ্ধের পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তবে সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি। ভঙ্গুর এই পরিস্থিতিতে এখনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালে গাজায় ৩৮ হাজারের বেশি নারী ও মেয়ে শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ইউএন উইমেনের মানবিক কার্যক্রম প্রধান সোফিয়া ক্যালটর্প জেনেভায় বলেন, সাম্প্রতিক এই সংঘাতে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সংখ্যক নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছেন। এদিকে যুদ্ধবিরতির পরও হতাহতের সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। লিঙ্গভিত্তিক তথ্যের ঘাটতির কারণে নারী ও মেয়ে শিশুদের সঠিক মৃত্যুর পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরের পর থেকে ৭৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে চারজন ইসরায়েলি সেনাও প্রাণ হারান। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের দায়ে উভয় পক্ষই একে অপরকে অভিযুক্ত করে আসছে। এছাড়া ইউনিসেফ জানিয়েছে, গত ছয় মাসে গাজায় অন্তত ২১৪ জন শিশু নিহত হয়েছে এবং আহতের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে প্রায় ১০ লাখ নারী ও মেয়ে শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে।





মন্তব্য