শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে *** ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৬৭২ *** মাতারবাড়ীতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২২ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ছবি:জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণে তিন বছর প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর আবেদন, সিদ্ধান্ত নেবে জাতিসংঘ

বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর আবেদন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পাঠানোর সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিষয়টি এখন সাধারণ পরিষদের চূড়ান্ত বিবেচনার জন্য উপস্থাপিত হবে। নিউইয়র্কে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) অনুষ্ঠিত ইকোসকের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি বলেন, এলডিসি থেকে সফল ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার, অর্থনৈতিক অভিযোজন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অর্জন হিসেবে দেখছে। তবে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণেই বাংলাদেশ ও নেপাল অতিরিক্ত তিন বছরের প্রস্তুতিকাল চেয়েছে। এর আগে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) দুই দেশের আবেদন পর্যালোচনা করে সাধারণ পরিষদে বিষয়টি বিবেচনার সুপারিশ করে। সেই মতামতের ভিত্তিতে ইকোসকও সাধারণ পরিষদকে আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬-এর আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে ওই তারিখেই বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে আনুষ্ঠানিক উত্তরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, সাধারণ পরিষদ যদি প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করে, তাহলে বাংলাদেশ সেই অতিরিক্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে নীতিগত সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি-পরবর্তী উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়নে আরও জোর দেবে। কূটনৈতিক মহলের মতে, প্রস্তুতিকাল বাড়ানো হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসা, রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখা এবং উন্নয়ন অর্থায়নের নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে বাংলাদেশ আরও কার্যকরভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে। সূত্র: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন





মন্তব্য