১৩ এপ্রিল, ২০২৬
স্বদেশ › সংস্কৃতি

চিত্র:দীপেন দেওয়ান| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানী ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। র্যালিটি বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কের লেকে 'বিজু ফুল' সমর্পণের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, বিগত সরকার বৈসাবি নামকরণের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বা সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রেখেছিল। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কোনো বৈষম্য চায় না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় তাদের স্ব-স্ব উৎসবের নামে নিজ নিজ সংস্কৃতি নির্বিঘ্নে পালন করবে। মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহড়ের ঐতিহ্যবাহী এসব সামাজিক উৎসব। বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান--সবগুলো উৎসবই এখন থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমান সম্মান পাবে বলে জানান মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও যোগ করে বলেন, আমাদের প্রত্যয় হলো বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। সমতল ও পাহাড়ের মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। আজকের এই উৎসব পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক। এ উৎসবের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ যে রংধনু জাতি গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, এই র্যালিতে তারই প্রতিফলন ঘটছে। সবার আগে বাংলাদেশ- এই নীতি ধারণ করে আমরা সম্প্রীতি ও উন্নতির পথে এগিয়ে যাব। র্যালিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঢাকায় বসবাসরত তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজে অংশগ্রহণ করেন। র্যালি শেষে রমনা পার্কের লেকে ফুল ভাসানোর মাধ্যমে উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

image : দীপেন দেওয়ান | credit : ছবি: সংগৃহীত

image : দীপেন দেওয়ান | credit : ছবি: সংগৃহীত

image : দীপেন দেওয়ান | credit : ছবি: সংগৃহীত

image : দীপেন দেওয়ান | credit : ছবি: সংগৃহীত
মন্তব্য:০