শিরোনাম
বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় অস্ট্রেলিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া মাহফিল *** চীনা ক্রীড়ার ‘আন্তর্জাতিক মান’-এর প্রদর্শন শেনচেনে *** সমুদ্র! তোমাকে প্রয়োজন *** সিচাংয়ের প্রকৃতি-মানুষ-প্রাণীর সম্পর্ক ফুটে উঠল ‘স্নো লেপার্ড’-এ *** ভিক্টরিয়া বিএনপি কর্তৃক ৫০ তম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


২৭ নভেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুরো মাতসুট| |ক্রেডিট : সিএমজি

একচীন নীতিতে সার্বিয়ার অটল সমর্থন

সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুরো মাতসুট তার প্রথম চীন সফরকালে চায়না মিডিয়া গ্রুপ- সিএমজিকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন যে, সার্বিয়া চীনের আন্তর্জাতিক আমাদানি মেলার (সিআইআইই) একজন পুরনো বন্ধু এবং টানা আট বছর ধরে এতে অংশগ্রহণ করছে। এই আন্তর্জাতিক বিনিময় চক্রে যোগ দিতে পেরে তিনি খুব আনন্দিত। কারণ সার্বিয়া ও চীনের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী, অটুট ‘লৌহদৃঢ় বন্ধুত্ব’, যা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার ভুসিচের রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ে গড়ে তোলা গভীর বন্ধুত্ব ছাড়া অসম্ভব ছিল। এই বন্ধুত্ব ইতোমধ্যেই অর্থনৈতিক ক্ষেত্র এবং অন্যান্য বহু স্তরের সম্পর্কে প্রসারিত হয়েছে। তিনি বলেন যে, সার্বিয়া ও চীনের মধ্যে রয়েছে গভীর অনুভূতির সংযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। এ বছর দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর উদ্যাপন করছে। এই বন্ধুত্ব দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিনিময় এবং সামাজিক জীবনের সকল দিকের সংযোগে রূপান্তরিত হয়েছে। আমরা সত্যিই অনুভব করি যে, চীন সর্বদা দৃঢ়ভাবে আমাদের পাশে আছে, ন্যায়ের পক্ষে সমর্থন দেয়। আমরা এটা গভীরভাবে স্মরণ করি এবং হৃদয় থেকে চীনের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা একচীন নীতি সম্পূর্ণরূপে বুঝতে পারি, সার্বিয়া সর্বদা চীনের অবস্থান সমর্থন করে। তিনি সাংহাই চিয়াও থুং বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি বক্তৃতা দেন। তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধন সময়ের সাথে সাথে আরও দৃঢ় হচ্ছে, ভবিষ্যতে আমরা আরও গভীর স্তরে বিনিময় ও সহযোগিতা বিস্তার করব। এটাই শিক্ষার শক্তি। আমরা চীনা জনগণের কাছ থেকে, চীনা বিশ্বদর্শন থেকে এবং সামাজিক বিজ্ঞানসহ অন্যান্য গবেষণা ক্ষেত্র থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর দু’দেশের সম্পর্কে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, ভবিষ্যতে সহযোগিতা জোরদার করা এবং যৌথ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি প্রচার করার জন্য তিনি অপেক্ষা করছেন। আমরা চীনের উন্নয়ন সাফল্য দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত এবং আমাদের নিজের উন্নয়ন অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, বিশেষ করে অবকাঠামো নির্মাণ ক্ষেত্রে। গত কয়েক দশক ধরে, আমরা চীনের অর্জিত সাফল্য অবলোকন করেছি, চীনের সাফল্য সবার জন্য অনুপ্রেরণা। চীন ও সার্বিয়া বাণিজ্য, শিল্প উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে পারে। সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য