শিরোনাম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ *** বিদেশি বিনিয়োগে আরও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলছে সরকার: আইসিটি মন্ত্রী *** ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪ হাজার ছাড়াল ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২ জুলাই, ২০২৬

প্রবাস › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ডিজিটাল আইডি ও ওয়ালেট চালুর প্রস্তুতি| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

এক ডিজিটাল আইডিতেই মিলবে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব সরকারি সেবা

বাংলাদেশে নাগরিক সেবাকে আরও সহজ, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে জন্মের পরই প্রতিটি শিশুর নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি স্থায়ী ডিজিটাল আইডি তৈরি হবে, যা তার সারাজীবনের সরকারি পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের উদ্যোগে এ পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভূমি, বিআরটিএসহ বিভিন্ন সরকারি তথ্যভান্ডার একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হবে। ফলে নাগরিকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একই তথ্য বারবার জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। বর্তমানে প্রকল্পটি ধারণাপত্র পর্যায়ে রয়েছে। অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালে কোনো শিশুর জন্ম হলে তার তথ্য সরাসরি জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থায় যুক্ত হবে এবং বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে নবজাতকের জন্য একটি ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি তৈরি করা হবে। বাসায় জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্যও বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হবে। এ উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্মার্টফোনভিত্তিক ডিজিটাল ওয়ালেট। এই ওয়ালেটে নাগরিকের ডিজিটাল পরিচয়, প্রয়োজনীয় সরকারি সনদ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ক্রেডেনশিয়াল সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি সেবায় প্রবেশ, পরিচয় যাচাই এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রচলিত পরিচয়পত্রের বিকল্প হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তথ্যের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। নাগরিকের অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কোনো সংস্থার সঙ্গে ভাগাভাগি করা হবে না। পুরো ব্যবস্থাটি পরিচালিত হবে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন এবং জাতীয় ডেটা গভর্নেন্স নীতিমালার আওতায়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘ডি-স্টার’ প্রকল্পের মাধ্যমে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এস্তোনিয়া ও সিঙ্গাপুরের সফল ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেন্টিটি মডেল বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। সম্প্রতি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকে দেশের প্রথম ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে একটি মাত্র ডিজিটাল পরিচয়ের মাধ্যমে নাগরিকরা দ্রুত, নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্তভাবে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। সূত্র: বাংলানিউজ





মন্তব্য