শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২৮ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসীদের ট্র্যাজেডি, অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন ৬ জন

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের সমো এলাকায় একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত একজন বাংলাদেশি বর্তমানে কুইন্সটাউন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের সবাই নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দোকানের ভেতরে থাকা আবাসিক কক্ষে সাতজন বাংলাদেশি ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতের কোনো এক সময় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ছয়জন বের হতে না পেরে ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত একজনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতদের মধ্যে মো. ফয়সাল, মো. ফাহিম, শামীম হাসান ও মোহাম্মদ আপনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে আরও দুইজনের পরিচয় নিশ্চিত করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের দাবি, নিহত সবাই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কুরুগেশ্বর এলাকার বাসিন্দা। কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠন নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহত ব্যক্তির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। এর আগে ২০১৮ সালে নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ব্রিটস শহরে একটি দোকানে অগ্নিকাণ্ডে চার বাংলাদেশি নিহত হন। এছাড়া ২০২৪ সালে কোয়াজুলু-নাটালের পিটারম্যারিটজবার্গে একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুনে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সূত্র: স্থানীয় প্রবাসী সূত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় প্রশাসন।





মন্তব্য