শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৪ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: ইত্তেফাক| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কৃষক তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের প্রকৃত কৃষকদের নির্ভুল, স্বচ্ছ ও আধুনিক তথ্যভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ গড়ে তুলতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এ কার্যক্রমে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা ভুল তথ্যের সুযোগ রাখা যাবে না। যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করেই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে, যাতে সরকারি সহায়তা সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছায়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন কৃষক কার্ডকে শুধু পরিচয়পত্র হিসেবে নয়, বরং কৃষি ব্যবস্থাপনার একটি সমন্বিত ডিজিটাল মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি নির্দেশ দেন, ছবি ও কিউআর কোড-সংবলিত কৃষক কার্ডে কৃষকের পরিচয়ের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা গ্রহণের তথ্য, কৃষি বাজার-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি কৃষকের পরিচয় ও কৃষিকাজ-সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে কার্ড প্রস্তুত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সরকারি সেবা প্রদান আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ হয়। সভায় জানানো হয়, কৃষকদের জন্য ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি শেষ হলে ধাপে ধাপে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। সরকারের মতে, কৃষি খাতে ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ, বিভিন্ন প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা দ্রুত ও সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে এই কৃষক কার্ড চালু করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে প্রায় ৪৩ লাখ কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় দুই কোটি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্ভুল কৃষক ডাটাবেজ এবং ডিজিটাল কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষি খাতে সরকারি সহায়তা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার হবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা ও প্রণোদনা গ্রহণ করতে পারবেন। সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।





মন্তব্য