শিরোনাম
প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির ঘোষণা বেইজিংয়ের *** দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতায় চীনের ভূমিকা আরও জোরালো *** ইরান হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের *** ইরান সংকটে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ওপর জোর চীন-পাকিস্তানের *** নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উন্নয়নের গতি বাড়াতে চীনের প্রস্তুতি ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:পতাকা| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট:

‘ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের আগামীর পথ: কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের সময়’

সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। সেই সমীকরণের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর। দিল্লি শুভেচ্ছা জানালেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যে বর্তমানে আস্থাহীনতার মধ্যে রয়েছে, তা বিভিন্ন ইঙ্গিত থেকেই স্পষ্ট। সম্পর্কে অবিশ্বাসের ছায়া ২০২৪ সালের রাজনৈতিক উত্তাল পরিস্থিতির পরে দুই দেশের সম্পর্ক ঠাণ্ডা হয়ে আসে। সীমান্ত নিরাপত্তা, পানি ভাগাভাগি, বাণিজ্য বাধা, রাজনৈতিক বক্তব্য—সব মিলিয়ে পুরোনো অসন্তোষগুলো আরও প্রকট হয়। ভিসা নীতি কঠোর হওয়া, যোগাযোগ ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধতা আর কম ফ্লাইট—দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে বাধা তৈরি করেছে। এরই মধ্যে ভারতের কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মন্তব্য ও টেলিভিশন বিতর্কে বাংলাদেশকে ছোট করে দেখানো বক্তব্য ঢাকায় অসন্তোষ তৈরি করেছে। এতে বাংলাদেশে ধারণা তৈরি হয়েছে, দিল্লি সমান মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক পরিচালনায় এখনো দ্বিধাগ্রস্ত। পরস্পরের ওপর নির্ভরতা অস্বীকারের সুযোগ নেই যদিও কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ছে, কিন্তু অর্থনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা স্পষ্ট। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার বাংলাদেশ, আর ভারতের দিকে বাংলাদেশেরও উল্লেখযোগ্য রপ্তানি বাজার রয়েছে। কার হাতে প্রথম সিদ্ধান্ত? অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত মনে করেন, ‘ভারতকেই আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে দিল্লিকে বাস্তববাদী হয়ে সামনে এগোতে হবে।’ অধ্যাপক অবিনাশ পালিওয়াল মনে করেন, অতীতে সন্দেহ থাকলেও বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব বাস্তববাদী অবস্থান নিয়েছে, যা ইতিবাচক সংকেত। তাঁর মতে, ভবিষ্যতের সম্পর্ক নির্ভর করবে—ঢাকা কতটা ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে এবং দিল্লি কতটা উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য কমিয়ে আনতে সক্ষম হয় তার ওপর। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুই দেশই যদি সঠিক পথে এগোতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সামনের দিনগুলোতে সম্পর্ক ‘নিয়ন্ত্রিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা’র ফ্রেমেই আটকে থাকতে পারে। সূত্র: বিবিসি।





মন্তব্য