শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৯ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নিয়ে ‘রিচেক’ হচ্ছে ফিজিবিলিটি স্টাডি| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়ে আগের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, সেতুটি কোথায় নির্মাণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পুনঃযাচাইয়ের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সম্প্রতি যুগান্তর মাল্টিমিডিয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। সাক্ষাৎকারটি নেন মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ কবে শুরু হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সেতুটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ এখনো পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এর আগে যে ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়েছিল, সেটি বেশ পুরোনো হওয়ায় নতুন করে তা যাচাই করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণকাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। মন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর বিষয়টি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে রয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর সেতুর স্থান ও বাস্তবায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাটুরিয়া ঘাট কিংবা এর আশপাশের কোনো এলাকায় সেতুটি নির্মাণের সম্ভাবনা বিবেচনায় রয়েছে বলেও তিনি জানান। তবে সেতুর নির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। সরকারের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার জানিয়েছিল, অপ্রয়োজনীয় বড় প্রকল্পকে উৎসাহিত করা হবে না। বরং জনগণের সরাসরি উপকার হয় এমন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন বলতে শুধু অবকাঠামো নির্মাণকে বোঝানো হচ্ছে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাকেও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয়তা ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই বড় প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শেখ রবিউল আলম জানান, সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রয়েছে। চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অর্থায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অর্থের সংস্থান কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে বাস্তবায়নের পথে এগোনোর কথা ভাবা হচ্ছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে জনবান্ধব ও প্রয়োজনীয় বৃহৎ প্রকল্পে বেশি গুরুত্ব দিতে চায়। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুও সেই বিবেচনায় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে রয়েছে। তবে বাস্তবায়নের আগে সম্ভাব্যতা, অর্থায়ন ও প্রকল্পের উপযুক্ত স্থানসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর মাল্টিমিডিয়াকে দেওয়া সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাক্ষাৎকার।





মন্তব্য