শিরোনাম
বাংলাদেশের আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতায় আগ্রহী ফ্রান্স *** ড্রোনে ত্রাণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও পশু চিকিৎসা—বন্যাদুর্গত হবিগঞ্জে বিজিবির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ *** বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২১ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › বিশ্ব বাণিজ্য

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ষষ্ঠ চীন আন্তর্জাতিক ভোক্তাপণ্য মেলা| |ক্রেডিট : সিএমজি:

চীনা বাজারে নতুন পণ্যের রেকর্ড উন্মোচন

‘গাড়ি, কৃষি, আর্থিক সেবাসহ নানান খাতে চীনের সাথে সহযোগিতার ওপর আমরা অব্যাহতভাবে নজর রাখছি।’ গত ১৮ এপ্রিল শেষ হওয়া ষষ্ঠ চীন আন্তর্জাতিক ভোক্তাপণ্য মেলায়, কানাডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দার সিধু সিএমজি-কে এ কথা বলেন। মেলাতে অনেক অংশগ্রহণকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা চীনের সাথে সহযোগিতা নিয়ে অনেক আশাবাদী এবং এক্ষেত্রে তাদের প্রত্যাশাও বেশি। এবারের মেলাটি হচ্ছে চীনের পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার প্রথম বছরে দেশের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মেলা। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ভোক্তাপণ্য মেলা হিসেবে, এর আয়োজনস্থলের আকার আগের চেয়ে বেড়ে ১৪.৩ বর্গকিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা গতবারের তুলনায় ১৩ হাজার বর্গমিটার বেশি। মেলাতে মোট ২ শতাধিক পণ্য প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে, যা গত বছরের দুই গুণ। পাশাপাশি, মেলাতে মোট ৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ৩৪০০টি ব্রান্ড অংশগ্রহণ করে। মেলাতে প্রদর্শিত আন্তর্জাতিক পণ্যের হার ছিল ৬৫ শতাংশ, যা গত বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। চীনা ভোক্তা-বাজারের চাঙ্গা অবস্থা বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কী কী নতুন সুযোগ-সুবিধা বয়ে আনতে পারে? চীনাদের জীবনমান অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে এবং এর সাথে সাথে ভোক্তা-বাজারের আকারও অবশ্যই বেড়ে যাচ্ছে। এবারের মেলাতে অংশ নেওয়া সুইস পর্যটন রিটেইল জায়ান্ট কোম্পানি অ্যাভোল্টার কর্মকর্তা ছেন চুন সি জানান, এবার ১২টি দেশের পর্যটনপণ্য নিয়ে আসেন তারা। এতে করে চীনা ভোক্তারা আরও বেশি বাছাই করার সুযোগ পায়। “চীনা বাজার ক্রমশ আরও পোক্ত ও বৈচিত্র্যময় হচ্ছে, যা আমাদের আরও বেশি বৈশিষ্টময়্য পণ্য সরবরাহ করতে উত্সাহিত করছে,” তিনি বলেন। এর পাশাপাশি, চীনাদের চাহিদার উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি উদ্ভাবন করতে উত্সাহিত করছে। ভোক্সওয়াগন গ্রুপ (চীন)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সু পা হং বলেন, কোম্পানিটি গড়ে প্রতি দু’সপ্তাহে চীনের জন্য একটি নতুন মডেল বাজারে নিয়ে আসে। বিদেশি কোম্পানিগুলোর দৃষ্টিতে, চীনের বড় আকারের বাজার ও সুসম্পন্ন শিল্পের চেইন রয়েছে, যা কোম্পানির উন্নয়নের জন্য সহায়ক। মেলাতে অংশগ্রহণকারী অনেক প্রতিষ্ঠান চীনে বিনিয়োগকারীতে পরিণত হচ্ছে। এতে দেখা যায়, ক্রমবর্ধমান হারে বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো চীনে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। ১৫ এপ্রিল, ১৩৯তম চীন আমদানি ও রপ্তানি মেলা তথা ক্যান্টান মেলা কুয়াংচৌয়ে উদ্বোধন করা হয়। একের পর এক এ ধরনের মেলার আয়োজন চীনের উন্মুক্তকরণের দরজা ক্রমশ আরও বড় করছে। চীনা শৈলীর আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণকারী হিসেবে, বিদেশি পুঁজি বিনিয়োগকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো চীনের সাথে আরও সুন্দর ভবিষ্যত সৃষ্টি করবে বলে আশা করা যায়। সূত্র:আকাশ-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য