শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১৮ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চিত্র:ট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

বন্যাদুর্গত কৃষকদের সহায়তায় বীজ-ভ্যাকসিন বিতরণে অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’: কৃষিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষক ও খামারিদের দ্রুত পুনর্বাসনে সরকার বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, এসব সহায়তা বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে এবং কোনো কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা না হয়। তিনি বলেন, অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ঘটনা এবার গ্রহণযোগ্য হবে না। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবে। যেসব পশুকে ছয় মাস আগে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদের পুনরায় টিকা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন তিনি। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারি আর্থিক ও মানসিকভাবে বড় ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই ক্ষয়ক্ষতি কমাতে দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, সরকারের সব ধরনের সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছায় এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর, উপপরিচালক আপ্রু মারমা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়





মন্তব্য