শিরোনাম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ *** বিদেশি বিনিয়োগে আরও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলছে সরকার: আইসিটি মন্ত্রী *** ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪ হাজার ছাড়াল ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১ জুলাই, ২০২৬

খেলা › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:সায়েন্স ওয়ার্ল্ড মিউজিয়ামের বিশালাকার ফুটবল।| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপকে স্বাগত জানাতে ভ্যাঙ্কুভারে গড়া হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফুটবলসদৃশ স্থাপনা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে তৈরি হয়েছে অনন্য এক স্থাপত্য আকর্ষণ। শহরের আইকনিক সায়েন্স ওয়ার্ল্ড মিউজিয়ামের বিশাল গম্বুজকে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচ বলের নকশায় সাজিয়ে ১৭ তলা সমান উচ্চতার এক বিশাল ফুটবলের রূপ দেওয়া হয়েছে, যা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর অন্যতম ভ্যাঙ্কুভার নিজেদের আলাদা পরিচয়ে তুলে ধরতে এই উদ্যোগ নেয়। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সায়েন্স ওয়ার্ল্ডের জিওডেসিক ডোম সম্পূর্ণভাবে বিশেষ নকশার প্যানেলে আবৃত করা হয়েছে। ফলে দূর থেকেই এটি একটি বিশাল ফুটবলের মতো চোখে পড়ে। প্রকল্পটির সূচনা হয় প্রায় দুই বছর আগে। বিশ্বকাপকে ঘিরে শহরের প্রতীকী কোনো স্থাপনাকে কীভাবে ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা থেকেই এই অভিনব ধারণার জন্ম। পরে অ্যাডিডাস, স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং সরকারি সহায়তায় পরিকল্পনাটি বাস্তব রূপ পায়। বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে বিসি প্লেস স্টেডিয়াম, যা সায়েন্স ওয়ার্ল্ডের খুব কাছেই অবস্থিত। এ কারণে দর্শনার্থীদের জন্য এই গম্বুজকে বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ল্যান্ডমার্ক হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। তবে নির্মাণকাজ ছিল বেশ জটিল। ১৯৮৬ সালে নির্মিত গম্বুজটির কোনো ডিজিটাল নকশা না থাকায় প্রকৌশলীরা পুরোনো ব্লুপ্রিন্ট ব্যবহার করেন। পরে লেজার প্রযুক্তিযুক্ত ড্রোনের সাহায্যে পুরো স্থাপনার ত্রিমাত্রিক পরিমাপ নেওয়া হয়। প্রতিটি অংশের আকার ভিন্ন হওয়ায় আলাদাভাবে তৈরি নমনীয় প্যানেল নম্বর অনুযায়ী স্থাপন করতে হয়েছে। বিশেষভাবে তৈরি এই প্যানেলগুলো প্রবল বাতাস সহ্য করতে সক্ষম। সব প্যানেল বসানোর পর সায়েন্স ওয়ার্ল্ড বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবলসদৃশ স্থাপনাগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপের লোগো, ট্রফি এবং শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে এক ফ্রেমে তুলে ধরার মতো করেই পুরো নকশা সাজানো হয়েছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি এখন ভ্যাঙ্কুভারের অন্যতম আলোচিত দর্শনীয় স্থান। এ ছাড়া মিউজিয়ামের ভেতরেও দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। জুরিখের বাইরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফার ‘সকার অ্যান্ড টেকনোলজি’ প্রদর্শনী। একই সঙ্গে কানাডার ফুটবল ইতিহাসের মূল্যবান স্মারক, অলিম্পিকজয়ী ক্রিস্টিন সিনক্লেয়ারের জার্সি এবং ২০২২ বিশ্বকাপে আলফোনসো ডেভিসের ঐতিহাসিক গোলের বলও প্রদর্শন করা হচ্ছে। সূত্র: ফিফা, ভ্যাঙ্কুভার সায়েন্স ওয়ার্ল্ড ও সংশ্লিষ্ট আয়োজক কর্তৃপক্ষ।





মন্তব্য