শিরোনাম
কঠিন পরীক্ষা উতরে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, এবার ইংল্যান্ডকে সামনে দেখছেন মেসি *** নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত নিহত *** জাহাজে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া ছাড় দেবে না যুক্তরাষ্ট্র *** তথাকথিত ‘দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়’ মানে না চীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় *** কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে চীন-উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৯ জুন, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত

বিজু-সাংগ্রাইসহ পার্বত্যের উৎসব জাতীয় সাংস্কৃতিক সম্পদের অংশ: মিজানুর রহমান

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও জাতীয় ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের সব উৎসবই আমাদের সম্মিলিত সংস্কৃতির অংশ এবং সেগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন ও প্রচার প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পার্বত্য অঞ্চলের বর্ষবিদায়, চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণ উৎসবকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সচিব বলেন, বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উৎসব পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতি, ভাষা ও জীবনবোধের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এগুলো দেশের সাংস্কৃতিক ঐশ্বর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি সাংস্কৃতিক বন্ধন জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সামাজিক উৎসবগুলোর প্রাণবন্ত পরিবেশ আগের তুলনায় কিছুটা কমে গেছে। তাই এসব উৎসব সম্পর্কে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। তবে উৎসবগুলোর ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক শিকড় যেহেতু পার্বত্য অঞ্চলে, তাই সেখানেই প্রধান আয়োজন হওয়া অধিকতর উপযুক্ত। মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আরও বলেন, স্থানীয় আয়োজনকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন এবং এ উদ্দেশ্যে তিন পার্বত্য জেলায় আরও কয়েকটি কার্যকর সেমিনার আয়োজন করা যেতে পারে। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবগুলো প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা বহন করে। প্রবন্ধে উৎসবগুলোকে জাতীয় সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি, গণমাধ্যমে প্রচার বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলার কৌশল তুলে ধরা হয়। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, এসব উৎসব দেশের বহুত্ববাদী চেতনা ও জাতীয় সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা পরিষদ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সরাসরি ও অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন। সূত্র: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।





মন্তব্য