শিরোনাম
সিএমজি-ফুচিয়ান যৌথ প্ল্যাটফর্মে বৈশ্বিক প্রচারের নতুন গতি *** বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে গ্লোবাল শাসন সংলাপে চীনা প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান *** মাস্কের সমালোচনায় নতুন বিতর্ক :পাশে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন *** আলতাই–উরুমছি–চিলিন: তুষার ছুটিতে পর্যটনে উচ্ছাস *** সি চিন পিংয়ের উন্নয়ন চিন্তা গ্লোবাল সাউথকে নতুন দিশা দেবে: অতিথিদের অভিমত ***




↠নিজস্ব প্রতিবেদক


১৪ অক্টোবর, ২০২১

স্বদেশ › জাতীয়

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:bd| |ক্রেডিট : website

বিদায়ে মাহবুব-সিরাজের চোখ ছলছল

একবছর বা দু বছর নয়। দশকের পর দশক দেখা নেই। অঙ্কের হিসাবে পঁয়তাল্লিশ বছর। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে হয়, পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কিরে হায়... হয়তো সেই পুরানো স্মৃতির রসাস্বাধনে ছুটে গেছেন এক বন্ধু আরেক বন্ধুর কাছে। বলছি রাজনীতিতে রহস্যপুরুষ বলে পরিচিত সিরাজুল আলম খান ও নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের কথা। লেখক ও রাজনৈতিক গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদের ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ১৯৬২ সাল। ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সেক্রেটারি শেখ ফজলুল হক মনি, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সিরাজুল আলম খান, কালচারাল সেক্রেটারি মাহবুব তালুকদার। মাহবুব তালুকদার আবার ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার এবং ছাত্রলীগের একুশে সংকলনের সম্পাদক।





মন্তব্য