শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

বিচার বিভাগে এআই ব্যবহারে ঝুঁকি, প্রয়োজন স্পষ্ট আইনি কাঠামো: আইনমন্ত্রী

বিচার বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় না আনা হলে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে এআই আইনের খসড়া চূড়ান্ত করার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে তা জাতীয় সংসদে বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। বুধবার রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি আয়োজিত ‘এআই গভর্ন্যান্স সামারি স্কুল’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, এআই আইন প্রণয়নের আগে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ নেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনা করে খসড়ায় প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজন করা হবে। এরপর আইনটির খসড়া বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে। বিচারিক ব্যবস্থায় এআইয়ের সম্ভাব্য অপব্যবহারের দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রযুক্তিটির মাধ্যমে মিথ্যা জবানবন্দি তৈরি করা সম্ভব। একইভাবে ছবি বা অন্যান্য ডিজিটাল উপাদান ব্যবহার করে কৃত্রিম ও ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করার আশঙ্কাও রয়েছে। তিনি বলেন, এআইয়ের এমন অপব্যবহারে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে পারেন আর্থিকভাবে দুর্বল ও মধ্যবিত্ত বিচারপ্রার্থীরা। তবে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও এ প্রযুক্তির কারণে নতুন ধরনের সামাজিক ও আইনি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। কোনো বিচারিক রায় কোনো পক্ষের মনঃপূত না হলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন মো. আসাদুজ্জামান। এ কারণে বিচার বিভাগে এআই ব্যবহারের বিষয়ে বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তির সুফল গ্রহণের পাশাপাশি এর অপব্যবহার থেকে বিচারব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে সুস্পষ্ট আইন ও নীতিমালা প্রয়োজন। সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই এবং লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী এ ‘সামার স্কুল’ অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসন ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ দেওয়া হয়। সূত্র: এশিয়াটিক সোসাইটি আয়োজিত সেমিনার





মন্তব্য