শিরোনাম
কঠিন পরীক্ষা উতরে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, এবার ইংল্যান্ডকে সামনে দেখছেন মেসি *** নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত নিহত *** জাহাজে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া ছাড় দেবে না যুক্তরাষ্ট্র *** তথাকথিত ‘দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়’ মানে না চীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় *** কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে চীন-উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৮ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ভারী বৃষ্টিতে রাঙ্গামাটির সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

ভারী বৃষ্টিতে রাঙ্গামাটির সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত, সাজেকে আটকা শত শত পর্যটক

অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। এতে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং সাজেক ভ্যালিতে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের কারণে মাইনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাবে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা এবং লংগদু-দীঘিনালা সড়কের একাধিক অংশ ডুবে গেছে। একই সঙ্গে কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস এবং সড়কের মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা নতুন ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে। সাজেকে যাতায়াতের প্রধান সড়ক পানির নিচে চলে যাওয়ায় পর্যটকদের ফেরত আসা সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বৈরী আবহাওয়া ও পাহাড়ধসের সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। তবে ঘোষণার আগে সেখানে অবস্থান নেওয়া পর্যটকেরা এখন কার্যত আটকা পড়েছেন। এদিকে লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় নদীর পানি সড়ক অতিক্রম করায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে লংগদু উপজেলার সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। অন্যদিকে নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায় রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কয়েকটি অংশ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিত্যদিনের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা বলেন, বিকেলের মধ্যে পানি কমে গেলে আটকে থাকা পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়ির দিকে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যটকদের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না দিতে অতিরিক্ত রুম ভাড়া আদায় থেকে বিরত রয়েছেন কটেজ মালিকরা। স্থানীয়দের মতে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস, সড়ক ক্ষতি এবং জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। সূত্র: স্থানীয় সূত্র





মন্তব্য