শিরোনাম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ *** বিদেশি বিনিয়োগে আরও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলছে সরকার: আইসিটি মন্ত্রী *** ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪ হাজার ছাড়াল ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৬ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে চীন সফররত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ| |ক্রেডিট : সিএমজি:

বেইজিংয়ে শীর্ষ বৈঠক, শান্তি ও স্থিতিশীলতায় জোর

১৪ এপ্রিল চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে চীন সফররত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে সি চিন পিং বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত চীনের পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত অংশীদার এবং চীন সবসময়ই ইউএইর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। উভয় পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় চীন-সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ক সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়নের ধারা বজায় রেখেছে; রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা গভীর হয়েছে, বাস্তবমুখী সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে এগিয়েছে এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় হয়েছে। চীন-সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ককে সুসংহত ও উন্নত করা উভয় পক্ষের দৃঢ় ঐকমত্য; এটি দুই দেশের জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। চীন ইউএইর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে আরও দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক ও গতিশীল পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে ইচ্ছুক। উভয় পক্ষ মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করে। সি চিন পিং শান্তি আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চীনের নীতিগত অবস্থানের ওপর জোর দেন এবং পুনর্ব্যক্ত করেন যে, চীন এ বিষয়ে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে যাবে। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং তা এগিয়ে নিতে চারটি প্রস্তাব দেন: প্রথমত, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি মেনে চলা; দ্বিতীয়ত, জাতীয় সার্বভৌমত্বের নীতি মেনে চলা; তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের নীতি মেনে চলা; এবং চতুর্থত, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার সমন্বয়ের নীতি মেনে চলা। সাক্ষাৎকালে খালেদ বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত-চীন সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস ও গভীর ভিত্তি রয়েছে। উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে সম্মান ও বিশ্বাস করে এসেছে, এবং তাদের মধ্যে ব্যাপক অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়ন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা গভীর করা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আরও বিস্তৃত ভবিষ্যৎ উন্মোচন এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে চীনের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক। সূত্র:লিলি-তৌহিদ-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য