শিরোনাম
বাংলাদেশের আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতায় আগ্রহী ফ্রান্স *** ড্রোনে ত্রাণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও পশু চিকিৎসা—বন্যাদুর্গত হবিগঞ্জে বিজিবির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ *** বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


২৭ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › বিজ্ঞান:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর স্থায়ী সদস্য এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী তিং শুয়েই সিয়াং| |ক্রেডিট : সিএমজি:

বেইজিংয়ে জুংকুয়ানছুন ফোরাম, বৈশ্বিক প্রযুক্তি সহযোগিতার ডাক

বেইজিংয়ে ২৫ মার্চ (বুধবার) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘২০২৬ জুংকুয়ানছুন ফোরাম’-এর বার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর স্থায়ী সদস্য এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী তিং শুয়েই সিয়াং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রধান ভাষণ প্রদান করেন। তিং শুয়েই সিয়াং তাঁর ভাষণে বলেন, সদ্য সমাপ্ত ‘চতুর্দশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’ সময়ে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে অভূতপূর্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এই সময়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বৈশ্বিক উদ্ভাবনের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে চীনের প্রভাব ও অবস্থান আরও সুসংহত হয়েছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, “পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা” সময়কালে চীন উচ্চমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি-দেশ নির্মাণে অপরিহার্য কৌশলগত ভিত্তি তৈরি করবে। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত বছরের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক কর্মসম্মেলনে ঘোষণা করেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন কেন্দ্র বেইজিং থেকে বেইজিং-থিয়ানচিন-হ্যপেই অঞ্চলে এবং শাংহাই থেকে ইয়াংসি নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে সম্প্রসারিত করা হবে। বেইজিং-থিয়ানচিন-হ্যপেই, ইয়াংসি নদীর বদ্বীপ অঞ্চল এবং কুয়াংতুং-হংকং-ম্যাকাও গ্রেট বে এরিয়া—এই তিন অঞ্চল বর্তমানে চীনের উচ্চ-মানের উন্নয়নের প্রধান শক্তির উৎস। এই তিন অঞ্চলে সমন্বিতভাবে কাজ করলে উদ্ভাবন কেন্দ্রগুলো একক শহর থেকে আঞ্চলিক একীভূত উন্নয়নের দিকে ধাবিত হবে। এটি সম্পদের সুষম বণ্টন, নীতির সমন্বিত প্রয়োগ এবং পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করবে। এর ফলে উন্নত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, উচ্চমানের শিল্প উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিভা আকর্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা চীনা শৈলীর আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। তিং শুয়েই সিয়াং আরও জানান, চীন বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি যৌথ অংশীদারিত্বমূলক সম্প্রদায় গড়ে তুলতে সকল পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এই লক্ষ্যে তিনি ৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেন:প্রথমত, একটি আরও উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী অংশীদারদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা। দ্বিতীয়ত, আরও বিস্তৃত ও বহুমুখী বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনা করা। বিশেষ করে মৌলিক গবেষণা ও উদীয়মান প্রযুক্তির যৌথ উন্নয়ন ও প্রয়োগ বাড়ানো, যাতে বিশ্বের সকল দেশের অর্থনীতি ও সমাজ উপকৃত হতে পারে। তৃতীয়ত, একটি আরও ন্যায়সঙ্গত ও মানবকল্যাণমুখী প্রযুক্তি-শাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য নীতিগত দ্বন্দ্ব, সামাজিক ঝুঁকি এবং নৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো যথাযথভাবে মোকাবিলা করা। সূত্র:শিশির-তৌহিদ-আনন্দী,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

News Picture

image : চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর স্থায়ী সদস্য এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী তিং শুয়েই সিয়াং | credit : সিএমজি:






মন্তব্য