শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৩১ আগস্ট, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:সার্জিও গোর| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

বোয়িং কেনার প্রাথমিক পরিকল্পনা বাড়াল বাংলাদেশ, চুক্তিকে ‘অসাধারণ বললেন গোর

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে নতুন চুক্তিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে হওয়া এই চুক্তিকে ‘অসাধারণ চুক্তি’ বলে প্রশংসা করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গোর জানান, চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে চুক্তির আওতায় মোট কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সেগুলোর মডেল কী হবে কিংবা চুক্তিটির মোট মূল্য কত—এসব বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি গোর। তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আগের প্রাথমিক ক্রয়াদেশও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকেও রোববার পর্যন্ত কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নতুন ক্রয়াদেশের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ও আর্থিক মূল্য এখনো স্পষ্ট নয়। নতুন এই ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের আলোচনার ধারাবাহিকতার মধ্যেই এসেছে। গত ৩০ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ঢাকায় সফর করেন। সফরের সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। তবে সেই বৈঠকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছিল কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। গোরের সফর শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তাঁর সঙ্গে ঢাকা-ওয়াশিংটনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য আলোচনা চলার সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য বোয়িং কেনার পরিকল্পনা আরও বড় করা হয়েছিল। প্রথমদিকে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হলেও পরে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ২৫টিতে উন্নীত করা হয়। বিমান বাংলাদেশের বহরকে আধুনিক ও বড় করার লক্ষ্যেই এসব উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবার সার্জিও গোরের বক্তব্য অনুযায়ী, সেই প্রাথমিক ক্রয়াদেশও আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য নতুন উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি শুধু বিমানবহর আধুনিকায়নের সঙ্গে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে নতুন চুক্তিতে ঠিক কতটি বিমান যুক্ত হচ্ছে এবং কী ধরনের উড়োজাহাজ কেনা হবে, তা এখনো জানা যায়নি। চুক্তির আর্থিক মূল্য নিয়েও কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি। বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করলে নতুন ক্রয়াদেশের আকার ও প্রকৃত আর্থিক প্রতিশ্রুতি আরও পরিষ্কার হবে।

News Picture

image : সার্জিও গোর | credit : ইন্টারনেট






মন্তব্য