শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২৫ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, গত ২৩ এপ্রিল নমপেনে, কম্বোডিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হুন সেনের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।| |ক্রেডিট : ছবি:সিএমজি

বৈশ্বিক পরিবর্তনের মধ্যেও চীন-কম্বোডিয়া সম্পর্ক অটুট

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, গত ২৩ এপ্রিল নমপেনে, কম্বোডিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হুন সেনের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে হুন সেন বলেন, চীন হচ্ছে কম্বোডিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু। চীনের সমর্থন ও সহযোগিতা হচ্ছে কম্বোডিয়ার উন্নয়ন বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা রক্ষার সবচেয়ে বড় আস্থা। আন্তর্জাতিক পরিবেশে যতই পরিবর্তন আসুক না কেন, কম্বোডিয়ার জনগণের পার্টি ও এর সরকার, চীনের ব্যাপারে বন্ধুত্বপূর্ণ নীতি পালন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। চীনের সাথে সহযোগিতা দৃঢ়ভাবে এগিয়ে নেয়ার ইচ্ছাও কখনও পরিবর্তিত হবে না। তিনি আরও বলেন, চীনের সাথে কৌশলগত বিনিময় জোরদার করতে, কৌশলগত সহযোগিতা ঘনিষ্ঠতর করতে, রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, অর্থনৈতিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দু’দেশের বন্ধুত্বকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে নিয়ে যেতে, এবং দু’দেশের অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ার কাজ এগিয়ে নিতে চায় কম্বোডিয়া। জবাবে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দু’দেশের নেতৃবৃন্দের সমর্থনে, দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ কৌশলগত সংলাপ-ব্যবস্থার প্রথম সভা সাফল্যের সাথে আয়োজিত হয়েছে। সভায় ব্যাপক মতৈক্যও অর্জিত হয়েছে। সভায় একে অপরের মূল স্বার্থকে রক্ষায় সমর্থন দেওয়া, সার্বিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া, আইন প্রয়োগ ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা জোরদার করা, বহুপাক্ষিক সমন্বয় ঘনিষ্ঠতর করাসহ একাধিক খাতে ঐকমত্য হয়েছে। দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ কৌশলগত সংলাপ-ব্যবস্থা অবশ্যই দু’পক্ষের কৌশলগত পারস্পরিক আস্থা জোরদার করবে; দু’দেশের সার্বিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক উন্নয়নে অতিরিক্ত শক্তি যোগাবে; নতুন যুগে দু’দেশের সার্বক্ষণিক অভিন্ন কল্যাণের সমাজ প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেবে; এবং দু’পক্ষের হাতে হাত রেখে, বৈশিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করা যায়। বৈঠকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়। সূত্র: আকাশ-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য