শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১২ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমান| |ক্রেডিট : সিএমজি

বাণিজ্য ও কৌশলগত সমন্বয়ে আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে চীন-তাজিকিস্তান

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমান ১১ মে (সোমবার), বিকেলে বেইজিং পৌঁছেছেন। এর মাধ্যমে তাঁর চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হলো। বর্তমানে চীন ও তাজিকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও কৌশলগত সংলাপ বজায় রেখেছেন এবং এর মাধ্যমে দৃঢ় পারস্পরিক বিশ্বাস ও গভীর বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন। তাঁদের কৌশলগত নির্দেশনায় চীন-তাজিকিস্তানের নতুন যুগের 'সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব' সব ক্ষেত্রেই স্থিতিশীল উন্নয়ন বজায় রেখেছে। সম্পর্কটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং শক্তিশালী গতিশীলতা ধরে রেখেছে। চীন ও তাজিকিস্তানের রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে, বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে, আন্তর্জাতিক সমন্বয় ফলপ্রসূ হয়েছে এবং জনগণের মধ্যকার বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে- যা প্রকৃত অর্থেই দেশ দুটিকে একটি সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারে পরিণত করেছে। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমান এ পর্যন্ত ২২ বার চীন সফর করেছেন। সর্বশেষ তিনি ২০২৫ সালের আগস্টের শেষ ও সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে চীন সফর করেন। সেসময় তিনি শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে এবং চীনা জনগণের প্রতিরোধ যুদ্ধ ও বিশ্ব ফ্যাসিবিরোধী যুদ্ধে জয়ের ৮০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য