শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৯ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ড টেবিল অন গভর্ন্যান্স এক্সপেরিয়েন্স| |ক্রেডিট : ছবি:সিএমজি

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে বাস্তবমুখী সহযোগিতার নতুন পর্যায়ে নেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শাসনব্যবস্থা, উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে শুক্রবার সকালে ঢাকায় শুরু হয়েছে দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের ‘চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ড টেবিল অন গভর্ন্যান্স এক্সপেরিয়েন্স’। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছে সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ এবং শাংহাই ইন্সস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (এসআইআইএস-ঢাবি) । উদ্বোধনী অধিবেশনে মডারেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল এ এস এম রেদওয়ানুর রহমান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, এসআইআইএস-এর প্রেসিডেন্ট ছেন তোংসিয়াও এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে চীন। এসআইআইএস-এর প্রেসিডেন্ট ছেন তোংসিয়াং তার বক্তব্যে বলেন, দুই দেশের সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই এমন উন্নয়ন প্রয়োজন, যা নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও উন্নয়নকে সহায়তা করবে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, নগর উন্নয়ন ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা, নদী শাসন, কৃষির আধুনিকায়ন, সামুদ্রিক অর্থনীতি এবং দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও যৌথ গোলটেবিল আয়োজন করা হবে। দিনব্যাপী সেমিনারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে—বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার অর্থনৈতিক প্রভাব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও গ্লোবাল সাউথের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, এবং নদী ব্যবস্থাপনা ও নগর পরিবহনে চীনের অভিজ্ঞতার প্রয়োগ। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট এবং চীনের থোংচিও ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করছেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় সমাপনী অধিবেশনের মাধ্যমে এই গোলটেবিল বৈঠকের কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা





মন্তব্য