শিরোনাম
‘ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের আগামীর পথ: কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের সময়’ *** ‘তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান: ভারতের যোগদানের সম্ভাবনা অনিশ্চিত’ *** জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন *** ‘ড. ইউনূসের রমজান বার্তা: নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা’ *** ৫১ দলের মধ্যে মাত্র ৯ দলের জয়, ৪২ দলই আসনশূন্য’ ***




↠নিজস্ব প্রতিবেদক


২ অক্টোবর, ২০২৫

অস্ট্রেলিয়া › ভিসা, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, সিডনি,

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ভিসা চেকলিস্ট| |ক্রেডিট : সিডনি বাংলা নিউজ

অস্ট্রেলিয়া স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশ এখন 'লেভেল ১'

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত খবর! অস্ট্রেলিয়া সরকার সম্প্রতি স্টুডেন্ট ভিসা (সাবক্লাস ৫০০) আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে 'লেভেল ১' (নিম্ন ঝুঁকি) ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে। এই পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া এখন থেকে হবে অনেক বেশি দ্রুত, সহজ এবং কম ডকুমেন্ট-নির্ভর। মূলত প্রতিটি দেশের ভিসা ঝুঁকির ইতিহাস এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমপ্লায়েন্সের ভিত্তিতে এই স্তর নির্ধারণ করা হয়, আর বাংলাদেশের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে যে এখানকার শিক্ষার্থীরা ভিসা নীতি মেনে চলায় ভালো অবস্থানে আছে। ​এই নতুন লেভেল ১ স্ট্যাটাসের সুবিধাগুলি পেলেও, শিক্ষার্থীদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং প্রয়োজনীয়তা মনে রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো GTE (Genuine Temporary Entrant)-এর পরিবর্তে GS (Genuine Student) রিকোয়ারমেন্ট চালু হওয়া। এখন আর অস্ট্রেলিয়ায় শুধু 'অস্থায়ীভাবে থাকার' উদ্দেশ্য প্রমাণ করার চেয়ে, আপনি যে সত্যিই পড়াশোনা করার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন, তার উপর জোর দিতে হবে। এই GS রিকোয়ারমেন্ট পূরণের জন্য আপনাকে আপনার শিক্ষাগত পটভূমি, কোর্সের সাথে আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের সম্পর্ক, এবং নিজ দেশের সাথে আপনার দৃঢ় পারিবারিক ও অর্থনৈতিক বন্ধন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। ​যদিও লেভেল ১-এ ডকুমেন্টেশন কম লাগে, তবুও কিছু মৌলিক কাগজপত্র অবশ্যই প্রস্তুত রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে: একটি বৈধ পাসপোর্ট, অস্ট্রেলিয়ান প্রতিষ্ঠান থেকে Confirmation of Enrolment (CoE), এবং অস্ট্রেলিয়ায় আপনার থাকার সম্পূর্ণ সময়ের জন্য Overseas Student Health Cover (OSHC)-এর প্রমাণ। এছাড়া, সাম্প্রতিক কঠোর নিয়মের কারণে আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে এখন একক শিক্ষার্থীর জন্য জীবনযাত্রার খরচ বাবদ সর্বনিম্ন AUD $29,710 (টিউশন ফি বাদে) সঞ্চয়ের প্রমাণ দেখাতে হতে পারে। কোর্সের প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণপত্র (যেমন IELTS-এর ক্ষেত্রে ৬.০ বা সমমানের স্কোর) এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টও প্রয়োজন হবে। মনে রাখবেন, আপনার যদি ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো ভাষার ডকুমেন্ট থাকে, তবে অবশ্যই সেটির অনুমোদিত ইংরেজি অনুবাদ (NAATI দ্বারা অনুমোদিত) জমা দিতে হবে। ​এই সুবর্ণ সুযোগটি কাজে লাগাতে, আপনাকে অবশ্যই সমস্ত ডকুমেন্ট জেনুইন এবং সুসংগঠিতভাবে ImmiAccount-এর মাধ্যমে অনলাইনে আপলোড করতে হবে। সবচেয়ে নির্ভুল চেকলিস্টের জন্য সর্বদা অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অফ হোম অ্যাফেয়ার্স (Department of Home Affairs) এর অফিসিয়াল ডকুমেন্ট চেকলিস্ট টুলটি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। লেভেল ১-এ উন্নীত হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ান শিক্ষায় প্রবেশাধিকার অনেক সহজ করে দিয়েছে।





মন্তব্য