৩ আগস্ট, ২০২৬
স্বদেশ › স্বদেশ

চিত্র:সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হি (Shejdon Hee)।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের আধুনিকায়ন, টিকিট সিন্ডিকেট দমন, আন্তর্জাতিক সংযোগ সম্প্রসারণ এবং কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ)-এর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ সরকার। বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কারিগরি সক্ষমতা উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব বিমান চলাচল এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ও গুরুত্ব পায়। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হি (Shejdon Hee)। বৈঠকে আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে আইএটিএ সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আওতাধীন বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স টেকনিক্যাল সেন্টার (BATC)-কে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়ারও আগ্রহ প্রকাশ করেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইএটিএর প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, বিমান খাতে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেট ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পরিবেশবান্ধব বিমান চলাচল নিশ্চিত করতে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে পৃথক ধারা সংযোজন করা হয়েছে। তিনি জানান, সরকার সাসটেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল (SAF) ব্যবহারের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে। পাশাপাশি আকাশপথে অপরাধ দমনে Montreal Protocol 2014 গ্রহণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। বৈঠকে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, বিমান পরিবহন খাতের অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে সরকার ও আইএটিএর মধ্যে কারিগরি ও নীতিগত সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে এ ধরনের সহযোগিতা দেশের বিমান পরিবহন খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক, নিরাপদ ও আধুনিক করে তুলতে সহায়ক হবে। সূত্র: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য:০