শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠ডেস্ক রিপোর্ট


৬ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › ইরান যুদ্ধ, আমেরিকা,ইসরায়েল,তেল সংকট

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:হামলায় ইসরায়েলের হাইফা শহরের চিত্র| |ক্রেডিট : তাসনিম নিউজ

৪৫ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব: ইরানের ‘না’ এবং নেপথ্য কৌশল

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ৪৫ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের তৎপরতার খবর দিয়েছে মার্কিন-ইসরায়েলি গণমাধ্যম 'অ্যাক্সিওস' (Axios)। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবকে সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের দাবি, যুদ্ধের ছায়া বজায় রেখে এমন কোনো সাময়িক সমঝোতা তাদের সামরিক ও রাজনৈতিক কৌশলের পরিপন্থী। ​অ্যাক্সিওস ও মোসাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তসনিম নিউজ এজেন্সির যুদ্ধ বিশ্লেষণ গ্রুপ এই প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের মতে, 'অ্যাক্সিওস' মূলত যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন (Psychological Operations) পরিচালনার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে জনমত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এই মাধ্যমটি ব্যবহৃত হয়। ​ট্রাম্পের পিছু হটার সম্ভাবনা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র বা বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে যেকোনো হামলার বিপরীতে তেহরানের কঠোর এবং ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার যে সংকল্প, তা সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্ণ সচেতন। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের ময়দানে কৌশলগত অচলাবস্থা থেকে বাঁচতে ট্রাম্প প্রশাসন তৃতীয়বারের মতো পিছু হটার পথ খুঁজছে। ৪৫ দিনের এই প্রস্তাব মূলত সেই প্রস্তুতিরই অংশ হতে পারে। ​ইরানের কঠোর অবস্থান ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা এমন কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতি মেনে নেবে না যা যুদ্ধের ঝুঁকিকে জিইয়ে রাখে। সম্প্রতি ৪৮ ঘণ্টার একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও ইরান নাকচ করে দিয়েছিল। তেহরানের যুক্তি হলো— আমেরিকা ও ইহুদিবাদী শত্রু পক্ষ যুদ্ধের চাপে দিশেহারা হয়ে এখন অস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধি এবং নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের জন্য সময়ের সুযোগ খুঁজছে। ​তেহরানের দাবি ও নতুন বিশ্বব্যবস্থা ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য তেহরানের শর্তগুলো অপরিবর্তনীয়। এর মধ্যে প্রধান শর্ত হলো— ভবিষ্যতে আমেরিকা বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আর কোনো আগ্রাসন চালানো হবে না, এমন সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি প্রদান। এছাড়া যুদ্ধের পর ‘হরমুজ প্রণালী’ আর কখনোই আগের অবস্থায় ফিরবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। সেখানে এক নতুন সামরিক ও কৌশলগত শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে। তসনিম নিউজের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শত্রুপক্ষকে পুনর্গঠিত হওয়ার সুযোগ দিয়ে নিজেদের ওপর যুদ্ধের ছায়া বজায় রাখা ইরানের প্রতিরক্ষা ডকট্রিনের অংশ নয়। ফলে পূর্ণাঙ্গ নিশ্চয়তা ও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ





মন্তব্য