শিরোনাম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ *** বিদেশি বিনিয়োগে আরও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলছে সরকার: আইসিটি মন্ত্রী *** ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪ হাজার ছাড়াল ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৫ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত

২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যয়

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস। শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং বহুমাত্রিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। বিশেষ মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ইতিহাস ও সংস্কৃতির নানা অধ্যায়ে সমৃদ্ধ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদ ভবনের নকশাকার মার্কিন স্থপতি লুই আই. কান এবং বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রকৌশলী ফজলুর রহমান খানের অবদান দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জর্জ হ্যারিসনের ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, মানবিক সহমর্মিতা ও সাংস্কৃতিক সংযোগের যে ভিত্তি তখন তৈরি হয়েছিল, বর্তমান আয়োজনও সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বহন করছে। বক্তব্যে তিনি বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ দমনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৭৭৬ সালের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে যে সমতা ও স্বাধীনতার আদর্শ তুলে ধরা হয়েছিল, সেই মূল্যবোধ আজও যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির ভিত্তি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীতে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতেও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য বন্ধু। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটে দেশটির মানবিক সহায়তা বাংলাদেশের জনগণ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উভয় দেশের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। এই ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে দুই দেশের জনগণ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ককাস সদস্য এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।





মন্তব্য