২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
স্বদেশ › স্বদেশ

চিত্র:এলএনজি| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং গ্যাসের সংকট কমাতে দেশে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে একটি আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ওই টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুতুবদিয়ার প্রস্তাবিত টার্মিনালসহ এলএনজি সরবরাহ অবকাঠামো সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়তে পারে। এতে জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই অঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। অঞ্চলটির ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন এসব টার্মিনাল স্থাপন করা গেলে শুধু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নয়, দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। এর ফলে বিদ্যমান গ্যাস সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে। সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো এলএনজি আমদানি সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি করা এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সূত্র: জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য
মন্তব্য:০