২২ জুলাই, ২০২৬
আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

চিত্র:আইসিসি ট্রফি| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নতুন প্রতিযোগিতা কাঠামো কার্যকর করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, র্যাঙ্কিংয়ের শেষের তিনটি দল মূল টুর্নামেন্টে ওঠার আগে ‘সুপার সিরিজ’-এ অংশ নেবে। সেখান থেকে মাত্র একটি দল মূল পর্বে জায়গা পাবে, আর বাকি দুটি দল প্রথম ধাপেই বাদ পড়বে। সিদ্ধান্তটি নিয়ে সমালোচনা থাকলেও আইসিসি বলছে, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অর্থবহ হবে। ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ১০ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাবও উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসে ১৪ দলের বর্তমান কাঠামোই বহাল রাখা হয়। পরিবর্তন আনা হয় মূলত প্রতিযোগিতার ফরম্যাটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, বিশ্বকাপের মানোন্নয়ন, প্রতিটি ম্যাচের প্রতিযোগিতামূলক গুরুত্ব বৃদ্ধি এবং দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখাই নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। নতুন ফরম্যাটে প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ‘সুপার সিরিজ’। এতে অংশ নেবে যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলোর মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে নিচে থাকা তিনটি দল। এই ধাপ শেষে বিজয়ী একটি দল মূল বিশ্বকাপে যুক্ত হবে। এরপর শুরু হবে ১২ দলের মূল পর্ব। দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। গ্রুপ পর্ব শেষে সেরা দলগুলো নতুন সংযোজিত ‘সুপার সেভেন’ পর্বে খেলবে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন কাঠামোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গুরুত্বহীন ম্যাচের সংখ্যা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে। প্রতিটি জয় ও পরাজয়ের প্রভাব থাকবে সরাসরি পরবর্তী ধাপে ওঠার সম্ভাবনার ওপর। আইসিসি তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বকাপকে যুগোপযোগী ও আরও আকর্ষণীয় করে তুলতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, নতুন কাঠামোয় উদ্বোধনী ম্যাচ থেকেই প্রতিটি লড়াই হবে সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতার মানও আরও উন্নত হবে। এ ছাড়া সহযোগী দেশগুলোর জন্যও বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। আইসিসির বিশ্বাস, এতে উদীয়মান দলগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবে এবং বৈশ্বিক ক্রিকেটের প্রসার আরও ত্বরান্বিত হবে। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী পুরো টুর্নামেন্টে মোট ৬০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: ক্রিকবাজ ও আইসিসি
মন্তব্য:০